
জাহাজে
নদীর বুকে আপনার ঘর
নকশা করা কাঠের কেবিন, খোলা ডেক আর ভোরের এক কাপ গরম চা। আমাদের জাহাজই আপনার ভাসমান আবাস।

গত ১০ বছর ধরে আমরা সুন্দরবনের নদী, খাল আর জোয়ার-ভাটার স্পন্দন অনুভব করছি। ধীরে, শান্তিতে প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়ার এক যাত্রা।
সবচেয়ে জনপ্রিয়
৩ দিনের ম্যানগ্রোভ ক্রুজ
১০+
অভিজ্ঞতার বছর
৫,০০০+
সন্তুষ্ট ভ্রমণকারী
১৫
রুট
২৪/৭
সহায়তা
মোংলা থেকেই শুরু
২০১৪ সাল থেকে আমরা সুন্দরবনের জলেই আছি। আমাদের টিমের প্রতিটি সদস্যের বেড়ে ওঠা এই প্রকৃতির কোলেই।
নির্ভার ও নিরিবিলি
ছোট দল, কোনো ব্যস্ততা নেই। দুচোখ ভরে প্রকৃতি দেখা আর বনের নৈশব্দ্য উপভোগ করার সুযোগ।
প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধ
সব সরকারি অনুমতি ও পরিবেশের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান রেখে আমাদের যাত্রা। প্রকৃতি যেমন সুন্দর, তাকে তেমনই রাখার শপথ আমাদের।

জাহাজে
নকশা করা কাঠের কেবিন, খোলা ডেক আর ভোরের এক কাপ গরম চা। আমাদের জাহাজই আপনার ভাসমান আবাস।

খাবারে
নদীর টাটকা মাছ আর ঘরোয়া রান্নায় দেশি স্বাদের পূর্ণ তৃপ্তি। একদম মায়ের হাতের রান্নার মতো।

তীরে
নিঝুম খালের ভেতর দিয়ে চলা, বনের নীরবতা আর হঠাৎ কাদার বুকে বাঘের পায়ের ছাপ।
প্রতিটি যাত্রার রূপ আলাদা। পরিবার নিয়ে আনন্দ, রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার কিংবা একান্ত নির্জনতা।




এই সূচিটি একটি প্রাথমিক ধারণা মাত্র। আবহাওয়া ও জোয়ার-ভাটার ওপর ভিত্তি করে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।
সকালবেলা জাহাজ ছাড়ার পর ধীরে বনের গভীরে প্রবেশ। দুপুরে মুখরোচক খাবার, বিকেলে বনে হাঁটা আর সন্ধ্যায় দিগন্তে রক্তিম সূর্যোদয় দেখা।
সরকারি অনুমতির সব দায়িত্ব আমাদের, আপনি শুধু আনন্দ উপভোগ করবেন।
খাবার, গাইড, ফরেস্ট ফি, সবই প্যাকেজের ভেতর।
কোনো মধ্যস্বত্বভোগী নেই, তাই আপনি পাচ্ছেন সেরা মানের পরিষেবা ন্যায্য মূল্যে।
আমাদের ক্রুরা এই বনেই বড় হয়েছে, তারা বনকে ভালোবাসতে জানে।
হালাল, নিরামিষ বা আপনার বিশেষ কোনো পছন্দ অনুযায়ী খাবারের ব্যবস্থা।
১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমরা আস্থার সাথে ভ্রমণ পরিচালনা করছি।
“পরিবার নিয়ে গিয়েছিলাম, জাহাজটা একদম ঘরের মতোই মনে হয়েছে। তাদের ছোট ছোট যত্নগুলো আমাদের মন ছুঁয়ে গেছে।
ছবি: আমাদের ক্রু ও ভ্রমণকারীরা · সুন্দরবন, ২০২২–২০২৫

০১
আমাদের ভাসমান আবাস

০২
দুবলার চরে সূর্যোদয়

০৩
মাছরাঙার ওড়াউড়ি

০৪
নির্জন কটকা সৈকত

০৫
ডেকে রাতের আড্ডা

০৬
সন্ধ্যার শান্ত নদী

০৭
নিঝুম বনের খাল

০৮
চা আর প্রকৃতির মায়া